1. admin@ekattorerprotibadikontho.com : admin :
  2. : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেশটা একদম মোবের মুল্লুক হয়ে গেল, আগে মব করত টুকাইরা,এখনো ডাক্তারেরাও করে বোদা ভূমি অফিসের তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

ইরানকে বাদ দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা সম্ভব নয়: ওমান

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে স্থানীয় দেশগুলোকেই প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মনে করে ওমান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব কেমব্রিজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা এবং ভূগোলের বিষয়টি মাথায় রেখে নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজাতে হবে।

ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো থেকে ইরানকে পরিকল্পিতভাবে দূরে রাখা হয়েছে। এই নীতির কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, তেহরানকে বাইরে রেখে আঞ্চলিক নিরাপত্তার কোনো স্থায়ী ও কার্যকর রূপরেখা প্রস্তুত করা সম্ভব নয়।

বদর আল-বুসাইদি আরও ব্যাখ্যা করেন যে, ইরানকে বাদ দিয়ে যে ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হয়েছে, তা জন্মগতভাবেই দুর্বল ও ভঙ্গুর। তাই এই অঞ্চলের দেশগুলোকেই নিজেদের উদ্যোগেই একটি সমন্বিত ও নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো তৈরির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করতে হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতার একটি বিশেষ সুযোগ তৈরি হয়েছিল। মাস দুয়েক আগে ওমানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে একটি ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং একটি সম্ভাব্য চুক্তির পথও সুগম হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।

ভবিষ্যতের কর্মপন্থা সম্পর্কে আল-বুসাইদি বলেন, বাইরের পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে সামরিক অংশীদারিত্বের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। ওমান চায় উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো সামরিক চুক্তির পরিবর্তে পারস্পরিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার মাধ্যমে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখুক।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ