1. admin@ekattorerprotibadikontho.com : admin :
  2. : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেশটা একদম মোবের মুল্লুক হয়ে গেল, আগে মব করত টুকাইরা,এখনো ডাক্তারেরাও করে বোদা ভূমি অফিসের তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

অর্থবছরের প্রথম তিন মাস বৈদেশিক সহায়তার দ্বিগুণ অর্থ ঋণ পরিশোধে ব্যয়

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত

অর্থনীতি ডেস্ক: চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে দেশের বৈদেশিক অর্থায়নে এক ধরনের বড় ধরনের চাপ লক্ষ্য করা গেছে। এই সময়ে বাংলাদেশ বৈদেশিক সহায়তা হিসেবে যে পরিমাণ অর্থ পেয়েছে, তার দ্বিগুণেরও বেশি ব্যয় হয়েছে পূর্বের নেওয়া বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের পেছনে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বিদেশি ঋণের মূল ও সুদ বাবদ মোট ১ হাজার ৩৫১ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৬ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা। এর বিপরীতে আলোচ্য সময়ে বৈদেশিক সহায়তা হিসেবে ছাড় হয়েছে মাত্র ৬৬২ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ সহজ হিসাবে, প্রতি এক ডলার বৈদেশিক সহায়তার বিপরীতে সরকারকে ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে প্রায় দুই ডলারের বেশি।

গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ঋণ পরিশোধের এই হার প্রায় ৫ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের বছর এই খাতে ব্যয় হয়েছিল ১ হাজার ২৭৯ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন ডলার। বর্তমান অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে কেবল মূল বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ৮৫৮ দশমিক ৯২ মিলিয়ন ডলার এবং সুদ বাবদ পরিশোধের পরিমাণ ছিল ৪৯২ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, একই সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের পক্ষ থেকে সহায়তার অর্থছাড় কমে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

প্রতিবেদন আরও জানায়, গত অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বৈদেশিক সহায়তার অর্থছাড় যেখানে ১ হাজার ১৪৮ দশমিক ৫৯ মিলিয়ন ডলার ছিল, তা চলতি অর্থবছরের একই সময়ে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। তবে আশার কথা হলো, এই মন্দার মধ্যেও নতুন বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই তিন মাসে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কাছ থেকে ঋণ ও অনুদান মিলিয়ে ১ হাজার ২৭৩ মিলিয়ন ডলারের নতুন প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৯১০ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন ডলার।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ