1. admin@ekattorerprotibadikontho.com : admin :
  2. : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেশটা একদম মোবের মুল্লুক হয়ে গেল, আগে মব করত টুকাইরা,এখনো ডাক্তারেরাও করে বোদা ভূমি অফিসের তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির ‘কথামতো’ চলার পুরস্কার পেলেন ইউসুফ পাঠান

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত

রাজনীতি ডেস্ক: ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদ ইউসুফ পাঠান তাঁর দীর্ঘদিনের একটি বড় আইনি ঝামেলা থেকে অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন। গুজরাটের বরোদা শহরে তাঁর পারিবারিক বাড়ির পাশের সাড়ে চৌদ্দ কাঠা জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভার সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব চলছিল। সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বরোদা পৌরসভার স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে ওই জমিটি তাঁর নামে বৈধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে জমি হারানোর যে আশঙ্কা সাবেক এই সংসদ সদস্যের মনে তৈরি হয়েছিল, তার পুরোপুরি অবসান ঘটল।

ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল দুই দশক আগে, যখন বরোদা পৌরসভার পক্ষ থেকে বাড়ির পাশের ওই জমিটি জবরদখল করার অভিযোগ তোলা হয়েছিল। সাবেক এই ক্রিকেটার দেশের হয়ে ক্রিকেট খেলার সুবাদে ওই জমিটি ৯৯ বছরের ইজারায় পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন এবং বরোদা পৌরসভা প্রাথমিকভাবে তাতে সায়ও দিয়েছিল। কিন্তু গুজরাট রাজ্য সরকারের আপত্তির কারণে সেই সময় প্রক্রিয়াটি আটকে যায় এবং পরবর্তী সময়ে ইউসুফ পাঠান ওই জমিতে প্রাচীর তুলে তা ব্যবহার করতে শুরু করেন। দীর্ঘদিন বিষয়টি নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য না হলেও, তিনি বহরমপুর আসন থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর পৌরসভার পক্ষ থেকে তাঁকে জমি খালি করার নোটিশ পাঠানো হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোদি-রাজ্যের একজন বাসিন্দা হয়ে তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচন করা এবং জয়ী হওয়া বিষয়টি ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক মহলে ভালোভাবে নেওয়া হয়নি। বরোদা পৌরসভার নোটিশের বিরুদ্ধে তিনি প্রথমে গুজরাট হাইকোর্টে আইনি লড়াই শুরু করলেও সেখানে হেরে যান এবং পরবর্তীতে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেন। এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের পটপরিবর্তন ঘটে এবং তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য ভিন্ন রাজনৈতিক শিবিরে ভিড়তে শুরু করেন। ইউসুফ পাঠানও সেই ধারাবাহিকতায় দলবদল করে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের অংশ হন এবং আইনি লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।

সম্প্রতি বরোদা মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে ৯৭৮ বর্গমিটার আয়তনের ওই জমির ভাগ্য নির্ধারিত হয়। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এর একটি অংশ তাঁকে দেশের হয়ে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবং বাকি অংশ নির্ধারিত মূল্যে ছাড় দিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। যদিও এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ ও সমালোচনা করা হয়েছে, তবে পৌরসভার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকা শাসক দলের হস্তক্ষেপে সাবেক এই ক্রিকেটারের জমি পাওয়ার পথ সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে যায়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ