1. admin@ekattorerprotibadikontho.com : admin :
  2. : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেশটা একদম মোবের মুল্লুক হয়ে গেল, আগে মব করত টুকাইরা,এখনো ডাক্তারেরাও করে বোদা ভূমি অফিসের তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

সন্তানদের কখনো এই পেশায় আসতে দেব না—২১ বছরে ২৫ বার বদলি হওয়া আইএএস কর্মকর্তা

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত

জাতীয় ডেস্ক: ভারতীয় সমাজে সিভিল সার্ভিস বা আইএএস কর্মকর্তা হওয়াকে জীবনের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হলেও এর পেছনের বাস্তব চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের কমিশনার এবং আলোচিত আইএএস কর্মকর্তা তুকারাম মুণ্ডে জানিয়েছেন এক ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা। দীর্ঘ ২১ বছরের চাকরিজীবনে প্রায় ২৫ বার বদলির শিকার হয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নিজের সন্তানেরা যেন কখনো এই পেশায় না আসে। সম্প্রতি এক ব্যবসায়িক সম্মেলনে দেওয়া তাঁর এই মন্তব্য ভারতীয় প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

২০০৫ ব্যাচের এই ক্যাডার কর্মকর্তা কর্মজীবনে নিজের কঠোর নীতিপরায়ণতা এবং আপসহীন মনোভাবের জন্য সুপরিচিত। তবে পেশাগত এই সততার মূল্য তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে বেশ চড়া দামে পরিশোধ করতে হয়েছে। ঘনঘন বদলির কারণে তাঁর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিশেষ করে তাঁর ছেলেকে পঞ্চম শ্রেণিতে পৌঁছানোর আগেই অন্তত ছয়টি ভিন্ন বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে হয়েছে, যা তার মানসিক বিকাশ ও সামাজিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

তুকারাম মুণ্ডের মতে, সিভিল সার্ভিসের পদমর্যাদা ও ক্ষমতার মোহের আড়ালে লুকিয়ে থাকে পরিবার ও জীবনসঙ্গীর তীব্র আত্মত্যাগ। বারবার ঠিকানা পরিবর্তন এবং নতুন পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেওয়ার এই ধকল কেবল একজন কর্মকর্তার একার নয়, বরং পুরো পরিবারের ওপর দিয়ে যায়। তবে এর অর্থ এই নয় যে তিনি তাঁর সন্তানদের জনসেবা থেকে বিরত রাখতে চান। বরং তিনি বিশ্বাস করেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের শক্তি ও মেধা কেবল গতানুগতিক সরকারি কাঠামোর ভেতর আবদ্ধ থাকা উচিত নয়।

তিনি তাঁর সন্তানদের সিভিল সার্ভিসের বদলে ব্যবসা, উদ্যোক্তা হওয়া কিংবা সরাসরি জননেতা হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর মতে, নির্দিষ্ট প্রশাসনিক গণ্ডির বাইরে থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করলে সমাজ পরিবর্তনে আরও বড় ও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব। চলতি বছরের মে মাসে মহারাষ্ট্রের এফডিএ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া এই কর্মকর্তা ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়ে সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। কিন্তু তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের এই ২৫ বার বদলির রেকর্ড প্রমাণ করে, ক্ষমতার এই শীর্ষেও পৌঁছানোর জন্য ব্যক্তিগত জীবনে কতটা মূল্য দিতে হয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ