1. admin@ekattorerprotibadikontho.com : admin :
  2. : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেশটা একদম মোবের মুল্লুক হয়ে গেল, আগে মব করত টুকাইরা,এখনো ডাক্তারেরাও করে বোদা ভূমি অফিসের তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

ভারতের মুসলিমদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২ বার পঠিত

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ ভারতের মুসলিমদের নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার রক্ষার জন্যও জোরালো অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ স্ট্যাটাসে তিনি এই মন্তব্য করেন। তার এই বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য রাখা চলবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।

নিজের ফেসবুক বার্তায় এই রাজনৈতিক নেতা অভিযোগ করেন যে, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বিমুখী নীতি দেখা যায়। দেশের হিন্দুদের বেদখল হওয়া সম্পত্তি উদ্ধারের বিষয়ে অনেকেই কথা বললেও, ভারতের মাটিতে কেবল মুসলিম পরিচয়ের কারণে ভোটার তালিকা থেকে লোকজনের নাম কেটে দেওয়ার মতো ঘটনাগুলোতে তারা পুরোপুরি নীরব থাকেন। এই ধরনের পক্ষপাতমূলক আচরণ ন্যায়বিচারের পরিপন্থী বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও উল্লেখ করেন যে, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম, জাতি বা ভৌগোলিক সীমানা থাকতে পারে না। বাংলাদেশের সব নাগরিকের অধিকারের পক্ষে কথা বলার পাশাপাশি ভারতের মুসলিমদের ন্যায্য নাগরিক অধিকারের পক্ষেও সোচ্চার হওয়া প্রতিটি বিবেকবান মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। অধিকার হরণের বিরুদ্ধে লড়াইকে ভৌগোলিক গণ্ডির মধ্যে সীমিত না রেখে সার্বজনীন করার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।

সবশেষে তিনি সব ধরনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি দখলের অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানান এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর ও অভিন্ন অবস্থান নেওয়ার কথা বলেন। মসজিদ, মন্দির, গির্জা কিংবা মাদ্রাসা—যারই সম্পত্তি হোক না কেন, তা জবরদখল করা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে সব মানুষের জানমালের নিরাপত্তা এবং সমান অধিকার নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ