1. admin@ekattorerprotibadikontho.com : admin :
  2. : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেশটা একদম মোবের মুল্লুক হয়ে গেল, আগে মব করত টুকাইরা,এখনো ডাক্তারেরাও করে বোদা ভূমি অফিসের তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

২০২৬ সালের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেব: শিক্ষামন্ত্রী

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি শিক্ষাবর্ষের মধ্যেই দেশের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, বই বিতরণের কাজ কোনোভাবেই আগামী বছর পর্যন্ত গড়াবে না এবং নির্দিষ্ট সময়ের আগেই তা সম্পন্ন করা হবে। শিক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বইয়ের গুণগত মানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না এবং শিক্ষার্থীদের হাতে আকর্ষণীয় ও সুন্দর মানের বই তুলে দেওয়া হবে।

টাঙ্গাইলের সন্তোষ এলাকায় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে একজন অনুকরণীয় ও আইকনিক চরিত্র হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন যে, তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন থেকে তরুণ প্রজন্ম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অনেক কিছু শেখার আছে।

শিক্ষাক্রমের নতুন সংযোজন ও পরিবর্তন সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী জানান যে, সরকারের শীর্ষ মহলের নির্দেশনা অনুযায়ী ইতোমধ্যে চারটি নতুন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণির জন্য ‘সংস্কৃতি ও খেলাধুলা’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দময় শিক্ষা ও ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ নামের বইগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া জেলা শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দিতে পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ঐচ্ছিক বইয়েরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত ওই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শহীদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল-মামুন, স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ