1. admin@ekattorerprotibadikontho.com : admin :
  2. : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেশটা একদম মোবের মুল্লুক হয়ে গেল, আগে মব করত টুকাইরা,এখনো ডাক্তারেরাও করে বোদা ভূমি অফিসের তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাংকের শেয়ার, তবু বিনিয়োগে আগ্রহ কম

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২ বার পঠিত

অর্থনীতি ডেস্ক: শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো কোম্পানির বা খাতের মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও যত কম থাকে, সেটিতে ঝুঁকিও তত কম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই মানদণ্ডে বর্তমানে দেশের পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতের শেয়ার সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এই খাতের শেয়ারের গড় পিই রেশিও বেশ কম রয়েছে। তা সত্ত্বেও সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে ব্যাংক খাতের শেয়ারের প্রতি কোনো উল্লেখযোগ্য আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, তাত্ত্বিকভাবে ঝুঁকি কম থাকলেও ব্যাংক খাতের সামগ্রিক পরিবেশ ও আস্থার সংকটের কারণে বিনিয়োগকারীরা দূরে সরে থাকছেন। অতীতে বিভিন্ন অনিয়ম ও আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনার কারণে হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বাদে অধিকাংশ ব্যাংকের প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মনে গভীর সংশয় রয়েছে। এছাড়া অনেক ভালো মানের ব্যাংকও তাদের মূল ব্যবসায় কাঙ্ক্ষিত ও টেকসই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিছু ব্যাংকের মুনাফা বাড়লেও তার বড় অংশই এসেছে মূলত সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ থেকে, যা মূলত সাময়িক আয়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩৬টি ব্যাংকের মধ্যে একীভূতকরণের প্রক্রিয়ায় থাকা ৫টি ব্যাংকের লেনদেন স্থগিত রয়েছে এবং এগুলোর শেয়ারের দাম শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি খেলাপি ঋণ ও নানা অনিয়মের কারণে বড় লোকসানে থাকা আরও ৭টি ব্যাংকের পিই রেশিও প্রকাশ করা হয়নি। নিয়মিত আয়ের ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত ২৪টি ব্যাংকের হিসাব কষে দেখা গেছে, এর মধ্যে যমুনা ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ও সাউথইস্ট ব্যাংকের পিই রেশিও সবচেয়ে কম রয়েছে এবং অন্তত ১১টি ব্যাংকের এই অনুপাত পাঁচের নিচে অবস্থান করছে।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বা বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী মনে করেন, ব্যাংকগুলোর প্রদর্শित মুনাফার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন রয়েছে। তা ছাড়া আমাদের দেশের শেয়ারবাজারের সিংহভাগ বিনিয়োগকারী দীর্ঘমেয়াদি কৌশল অবলম্বনের চেয়ে নিয়মিত লেনদেন বা ট্রেডিংয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। অন্যদিকে ব্যাংকগুলোর মুনাফা বাড়লেও খেলাপি ঋণের বিপরীতে বিপুল পরিমাণ প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হওয়ায় সে তুলনায় লভ্যাংশের হার বাড়েনি, যার ফলে বিনিয়োগকারীরা আশানুরূপ সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ