1. admin@ekattorerprotibadikontho.com : admin :
  2. : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেশটা একদম মোবের মুল্লুক হয়ে গেল, আগে মব করত টুকাইরা,এখনো ডাক্তারেরাও করে বোদা ভূমি অফিসের তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

মাহাঃ ওয়াগ্যোয়াই পোয়েঃ

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২ বার পঠিত

জাতীয় ডেস্ক: রাতের আকাশজুড়ে শত শত রঙিন ফানুস ওড়ানোর মধ্য দিয়ে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে উদযাপিত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা। মারমা ভাষায় এই উৎসবকে ‘মাহাঃ ওয়াগ্যোয়াই পোয়েঃ’ নামে অভিহিত করা হয়, যার বাংলা অর্থ হলো শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে নাইক্ষ্যংছড়ি, লামা, আলিকদম ও রুমাসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার আদিবাসী জনপদে আনন্দ ও প্রাণচাঞ্চল্যের বন্যা বয়ে যায়। সন্ধ্যার পর থেকেই পাহাড়ের নিস্তরঙ্গ জীবন রঙিন আলোয় ঝলমল করে ওঠে এবং পাহাড়ি জনপদ এক উৎসবমুখর জনপদে রূপ নেয়।

উৎসবের মূল দিনটিতে সকাল থেকেই বান্দরবানের বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহার বা ক্যায়াংগুলোতে উপাসক-উপাসিকাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বিহারে বিহারে চলে ফানুস উত্তোলন, ধর্মীয় দেশনা শোনা, ভিক্ষুদের উদ্দেশ্যে অন্ন ও অর্থদান এবং ফুল পূজা করার নানা আনুষ্ঠানিকতা। পুণ্যার্থীরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে বুদ্ধের চরণে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং নিজেদের অষ্টশীল গ্রহণ করে আত্মশুদ্ধির চেষ্টা চালান। এ সময় বৌদ্ধ বিহারগুলো নানা রঙের কাগজ, ফুল আর আলোকসজ্জায় এক নান্দনিক রূপ ধারণ করে।

দিনের অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি জগতের সকল প্রাণীর সুখ, শান্তি ও মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয় বিহারগুলোতে। দায়ক-দায়িকারা অত্যন্ত ভক্তিভরে মোমবাতি ও ধূপকাঠি প্রজ্জ্বলন করেন এবং বৌদ্ধ ভিক্ষুদের উদ্দেশ্যে ‘ছোয়াইং’ বা হরেক রকমের সুস্বাদু খাবার পরিবেশন করেন। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলে মিলে প্রার্থনা সভায় অংশ নেন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করেন। ধর্মীয় এই আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয় পাহাড়ি জনপদে।

সন্ধ্যা নামতেই উৎসবের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পর্ব অর্থাৎ ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা শুরু হয় বিভিন্ন এলাকায়। মারমা সম্প্রদায়ের মানুষ ‘সবাই মিলেমিশে রথযাত্রায় যাই’ এই বিশেষ গান গাইতে গাইতে ড্রাগনের আদলে সাজানো রথটি টানতে শুরু করেন। শত শত আনন্দোচ্ছল মানুষ রথ টেনে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন এবং এ সময় পুতুল নাচসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে। রথে জ্বালানো হাজার হাজার মোমবাতির আলোয় চারপাশ আলোকিত হয়ে ওঠে এবং পরিশেষে সাংগু নদীতে রথ বিসর্জনের মাধ্যমে এই বর্ণিল উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ