1. admin@ekattorerprotibadikontho.com : admin :
  2. : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেশটা একদম মোবের মুল্লুক হয়ে গেল, আগে মব করত টুকাইরা,এখনো ডাক্তারেরাও করে বোদা ভূমি অফিসের তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

বাড়িঘর নিরাপদ রাখতে নবীজির শেখানো ৫ আমল

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২ বার পঠিত

ধর্ম ডেস্ক: অদৃশ্য বিপদাপদ, শয়তানের প্ররোচনা এবং বিভিন্ন ধরনের বালা-মুসিবত থেকে নিজের আবাসস্থলকে সুরক্ষিত রাখতে ইসলাম ধর্মে কিছু সুনির্দিষ্ট আমলের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুসলিম উম্মাহর জন্য প্রিয়নবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) দৈনন্দিন জীবনে ঘরবাড়ি নিরাপদ রাখার বহু কার্যকরী পদ্ধতি শিখিয়ে গেছেন। এসব আমল নিয়মিত পালন করলে শুধু ঘরবাড়ির পরিবেশই শান্ত থাকে না, বরং আল্লাহর রহমত ও বরকতে চারপাশ পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

ঘর নিরাপদ রাখার প্রথম ও প্রধান আমল হলো ঘরে নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াত করা, বিশেষ করে পবিত্র কুরআনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুরা বাকারা পাঠ করা। হাদিসে বর্ণিত রয়েছে যে বাড়িতে সুরা বাকারা তেলাওয়াত করা হয়, সে ঘর থেকে শয়তান পালিয়ে যায় এবং অলৌকিক উপায়ে অশুভ শক্তির প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তাই নিয়মিত সুরা বাকারা তেলাওয়াতের মাধ্যমে পুরো পরিবারের জন্য আধ্যাত্মিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব।

দ্বিতীয়ত, ঘরে প্রবেশের সময় নিয়ম মেনে আল্লাহর নাম স্মরণ করা এবং সালাম দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। প্রিয়নবী (সা.) শিখিয়েছেন যে কোনো ব্যক্তি যখন নিজ গৃহে প্রবেশের সময় বিসমিল্লাহ বলে আল্লাহর জিকির করে এবং ঘরে অবস্থানরতদের সালাম দেয়, তখন শয়তান তার সঙ্গীদের বলে যে আজ রাতে এই ঘরে তোমাদের কোনো প্রবেশাধিকার বা রাতের খাবারের সুযোগ নেই। এই সাধারণ অভ্যাসটি ঘরের ভেতর বরকত বজায় রাখতে দারুণভাবে সাহায্য করে।

তৃতীয় এবং চতুর্থ আমল হিসেবে ঘরে বেশি বেশি নফল নামাজ আদায় করা এবং আল্লাহর জিকির বা ইস্তিগফার করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। নবী করিম (সা.) ঘরকে কেবল ঘুমানোর স্থান না বানিয়ে সেখানে নফল ইবাদতের মাধ্যমে বরকতময় করার তাগিদ দিয়েছেন। এছাড়া প্রতিনিয়ত দরুদ শরিফ পাঠ এবং আসমাউল হুসনা বা আল্লাহর সুন্দর নামসমূহ জপ করার মাধ্যমে ঘরের ভেতর একটি পবিত্র ও সুরক্ষিত পরিবেশ তৈরি করা যায় যা সব ধরনের বিপদ দূর করে।

পঞ্চম ও শেষ আমলটি হলো ঘরের চারপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং নিয়মিত দোয়া বা মোনাজাতের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা। প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় নির্দিষ্ট কিছু সুরক্ষা দোয়া পাঠ করলে অদৃশ্য সব ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পরিবার নিরাপদ থাকে। এই পাঁচটি আমল নিয়মিত পালনের মাধ্যমে একজন মুমিন তার ঘরকে জান্নাতি টুকরায় রূপান্তর করতে পারেন এবং যেকোনো ধরনের আপদ-বিপদ থেকে নিরাপদে থাকতে পারেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ