1. admin@ekattorerprotibadikontho.com : admin :
  2. : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেশটা একদম মোবের মুল্লুক হয়ে গেল, আগে মব করত টুকাইরা,এখনো ডাক্তারেরাও করে বোদা ভূমি অফিসের তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

প্রশাসনিক জটিলতায় জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসায় যেন গাফিলতি না হয়: নাহিদ ইসলাম

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২ বার পঠিত

জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম সম্প্রতি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণকারী মো. বাপ্পিকে দেখতে যান। সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, প্রশাসনের দীর্ঘসূত্রতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত যোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে সরকারের বিবেচনা করা উচিত। এই আন্দোলনের বীর সেনানীদের আত্মত্যাগের ফলেই বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সরকার পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আহতদের চিকিৎসাসেবা এবং সামগ্রিক পুনর্বাসনের বিষয়টি রাজনৈতিক সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে রাখার জোরালো দাবি জানান এই রাজনৈতিক নেতা। তিনি উল্লেখ করেন, কেবল আর্থিক সহায়তা নয়, বরং এসব বীর যোদ্ধাদের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করতে দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন, পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ভরণপোষণ এবং তাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রেরই দায়িত্ব। একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে যতটুকু করা সম্ভব, রাষ্ট্র চাইলে তার চেয়ে বহুগুণ বেশি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বিগত সময়ে অনেক কাজ করা হলেও এখন সেগুলোর সঠিক বাস্তবায়ন ও তদারকি করা জরুরি। এই আহত ব্যক্তিরাই বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জনের মূল কারিগর এবং তাদের অবদান কোনোভাবেই ভুলে যাওয়া চলবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। আজ যারা পঙ্গুত্ববরণ করে কিংবা নানা শারীরিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন, রাষ্ট্র ও সমাজকে সবসময় তাদের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করতে হবে।

উল্লেখ্য, গাজীপুরের শ্রীপুরে এই পরিদর্শনের সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন নেতা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ছাড়াও যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, ঢাকা বিভাগীয় উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল্লাহ হায়দার এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী নাবিলা তাসনিদসহ স্থানীয় নেতারা অংশ নেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ