1. admin@ekattorerprotibadikontho.com : admin :
  2. : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেশটা একদম মোবের মুল্লুক হয়ে গেল, আগে মব করত টুকাইরা,এখনো ডাক্তারেরাও করে বোদা ভূমি অফিসের তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

দুই থানার দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগ নেই

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১ বার পঠিত

জাতীয় ডেস্ক: দুইটি জেলা ও একাধিক উপজেলার সীমানা নিয়ে গঠিত ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ককে ঘিরে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা। দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষ ও যাত্রীরা যাতায়াতের সময় নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন। অথচ যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর আইনি সহায়তা চাইতে গেলে দুই থানার পুলিশ একে অপরের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা এবং অপরাধীরাও সহজেই আইনের আওতার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্য তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে কঠোর বার্তা দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, এই দীর্ঘ সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কোনো থানারই দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগ নেই। অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর থানাগুলো নিজেদের মধ্যে সীমান্ত জটিলতা বা এক্তিয়ার নিয়ে বাহানা তৈরি করলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

জনপ্রতিনিধিদের মতে, ভৌগোলিক সীমানার মারপ্যাঁচে সাধারণ মানুষের নাগরিক অধিকার বা নিরাপত্তা বিপন্ন হতে পারে না। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই প্রশাসনিক শৈথিল্য এবং টালবাহানা বন্ধ করতে পুলিশ প্রশাসনকে আরও আন্তরিক ও কঠোর হওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কোনো এলাকায় অপরাধ ঘটলে সীমানা নিয়ে বিতর্ক না করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ তাৎক্ষণিক পুলিশি সহায়তা পেতে পারেন।

এই পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার থানাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যৌথ টহল বা নির্দিষ্ট দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়ার মতো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে দ্রুত সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা জারি করবে এবং এর মাধ্যমে এই সড়কের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তাহীনতা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ