1. admin@ekattorerprotibadikontho.com : admin :
  2. : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক : একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেশটা একদম মোবের মুল্লুক হয়ে গেল, আগে মব করত টুকাইরা,এখনো ডাক্তারেরাও করে বোদা ভূমি অফিসের তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

কৃষি ও পল্লি খাতে ঋণ: লক্ষ্য বাড়লেও বিতরণে পিছিয়ে

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪ বার পঠিত

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের কৃষি ও পল্লি খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানো হলেও সেই তুলনায় মাঠপর্যায়ে অর্থ ছাড়ের গতি বাড়েনি। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত এক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ব্যাংকগুলো তাদের নির্ধারিত মোট লক্ষ্যমাত্রার সামান্য অংশমাত্র বিতরণ করতে পেরেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছর ঋণের পরিমাণ কিছু বাড়লেও বড় অংকের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের কারণে সামগ্রিক বিতরণের হার কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে কৃষি ও পল্লি খাতে মোট ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩৯ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে এই খাতের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৫৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সব মিলিয়ে ৬ হাজার ৮৫৮ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দুই হাজার কোটি টাকা বেশি হলেও লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ১১ শতাংশের কিছুটা বেশি। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ও বেসরকারি উভয় খাতের ব্যাংকগুলোর কার্যক্রমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে পিছিয়ে থাকার এই চিত্র দেখা গেছে।

খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কৃষির তুলনায় শিল্প বা অন্যান্য বাণিজ্যিক খাতে কম খরচে বেশি মুনাফা অর্জনের সুযোগ থাকায় ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে কৃষিঋণ বিতরণে কিছুটা অনীহা দেখা যায়। তবে সরকারের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোর মোট ঋণস্থিতির অন্তত চার শতাংশ এখন কৃষি খাতে বিতরণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা আগে আড়াই শতাংশ ছিল। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে জিডিপিতে কৃষির অবদানের সমান অর্থাৎ দশ শতাংশেরও বেশি ঋণ এই খাতে বিতরণের লক্ষ্য রয়েছে।

ঋণ বিতরণের পাশাপাশি এই খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণও উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন ঋণ শ্রেণীকরণ ও প্রভিশনিং নীতিমালার প্রভাবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে খেলাপি ঋণের চিত্র অনেকখানি বদলে গেছে। এদিকে, কৃষিঋণের যথাযথ ব্যবহার এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর নজরদারি শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে একটি বিশেষ সফটওয়্যার চালুর মাধ্যমে প্রধান কার্যালয় থেকে খাতভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ একাত্তরের প্রতিবাদী কন্ঠ